How to build wifi zone

কিভাবে একটি বড় সিটিওয়াইড বা আবাসিক এলাকায় ওয়াইফাই জোন তৈরি করবেন ব্যবসার জন্য।

বর্তমানে ইন্টারনেট  সংযোগ বা  (ISP BUSINESS)একটি লাভ জনক ব্যবসা। বেশির ভাগ সংযোগ দেয়া হয় তার এর মাধ্যমে । কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ইউজার দের চাহিদা পরিবর্তন হয়েছে। অনেকেই চান তাদের সংযোগ টি হোক তারবিহীন ঝামেলা মুক্ত।  আপনি যদি  ইন্টারনেট ব্যবসার সাথে সংযুক্ত থেকে থাকেন তবে আপনি অনায়াসে আপনার নেটওয়ার্ক সেটআপ টি ওয়্যারলেস করতে পারেন । আর তার কাটা পরা বা সিগন্যাল অথবা ডাটা লস থেকে মুক্তি পেতে পারেন। প্রথমে ছোট একটি এরিয়াতে পরীক্ষামূলক ওয়াইফাই জোন করে দেখতে পারেন। যদি সফল হন তবে বড় আকারে করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে কোন ব্যবসায় লস হবার কোন ঝুঁকি থাকবে না।

শুরু করার আগে আপনাকে কিছু বিষয়ে ভালভাবে জেনে নিতে হবে –যেমন

১। কতটুকু এরিয়া আপনি ওয়াইফাই এর আওতায় আনতে চান

২। আপনার নেটওয়ার্ক ডিজাইন কেমন হবে বা কোন টোপলজি ব্যাবহার করবেন

৩। আপনার এরিয়া তে কত তলা ভবন আছে বা কত উচ্চতায় আপনি ওয়াইফাই ইউজার থাকবে

৪। কতজন  ইউজার  ঐ এরিয়াতে থাকতে পারে। এবং ভবিষ্যতে ইউজার বাড়ার কোন সম্ভবনা আছে কিনা

৫। আপনি বর্তমানে কতটুকু ব্যান্ডওইথ ব্যাবহার করছেন এবং ভবিষ্যতে ইউজার বাড়ার সাথে সাথে ব্যান্ডওইথ ও বাড়াবেন কিনা।

৬। নেটওয়ার্ক টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনি কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

৭। যেসব equipment বা যন্ত্রপাতিআপনি ব্যাবহার করবেন তা সবসময় আপনার কাছে বা মার্কেটে পাওয়া যাবে কিনা।

৮। ইউজারদের জন্য ব্যান্ডওইথ কন্ট্রোল সিস্টেম থাকবে কিনা মানে আপনি ব্যান্ডওইথ মানেজ করবেন কিনা।

৯।একটি ডিভাইসের আওতায় কয়জন ইউজার থাকতে পারে।

১০। বিলিং  সিস্টেম ক্যামন হবে

 

একটি বড়  ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক নির্মাণের সময় প্রধান চ্যালেঞ্জটি হচ্ছে ওয়াইফাই কাভারেজ। ওয়াইফাই সিগন্যাল  বিভিন্ন কারনে বাধাপ্রাপ্ত হয় আর তাতে সৃষ্টি হয় ডেড জোনের। আর তাই ডিভাইস গুলো আপনাকে সেই ভাবে বসাতে হবে।

কিভাবে করবেন?

আমি উধাহরন হিসেবে  একটি  ১ কিলমিটার ওয়াইফাই  জোন  তৈরি করব এবং সেটা নিয়ে আলোচনা করব ,যা থেকে আপনি একটি স্বচ্ছ ধারনা পাবেন।

এটা আমি দুই ভাবে করতে পারি –

১। ওয়াইফাই হটস্পট করে ,যে খানে আপনি  মাসিক বিল সিস্টেম থেকে শুরু করে সব করতে পারবেন অথবা

২।  সাধারন একেসেস পয়েন্ট করে। আমি এখানে দ্বিতীয় উপায় নিয়ে কাজ করব।

প্রয়োজনীয় ডিভাইস :

১। কোর রাউটার – মাইক্রটিক ৪৫০জি আর (Mikrotik RB450 G)

২। এক্সেস পয়েন্ট – মাইক্রটিক আর বি মেটাল(Mikrotik RB Metal 2sHPN)

৩। মিডিয়া কনভার্টার – পেয়ার

৪। ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রয়োজন অনুসারে।

৫। কানেক্টর

৬। সুইচ ৫ পোর্ট এর ৩ টি                ( …….দ্বিতীয় পর্বে সমাপ্ত)

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *